Thursday, May 24, 2018

বাংলা মুভি ও নাক সিটকানো

গ্রূপে বেশ কিছুদিন থেকে লক্ষ করছি, কমার্শিয়াল বাংলা মুভিগুলো নিয়ে খুব বাজে বাজে আলোচনা ও কমেন্ট হচ্ছে । 
শাকিব খান কিংবা আরেফিন শুভকে কে নিয়ে ট্রোল ও মজা করে হচ্ছে, শাকিব খান ও শুভ ভালো গেটআপে আসলেও তাদেরকে নিয়ে বলা হচ্ছে শাহরুখ কিংবা রণবীরের কপি। তাহলে বলিউড কার কপি করে সেটাও মাথায় রাখাটা জরুরি।
একটা কথা সমালোচনার সময় মানুষ ভুলেই যায় এটা বাংলা মুভি। আর বাংলা মুভিকে নিয়ে নাক সিটকালেই আপনি পুরোপুরি জাতে উঠে যাবেন।
সমালোচনা থাকবেই, মানুষ ভালো খারাপ বলবেই, কিন্তু সেটা গঠনমূলক করলেই না তারা সেটাকে শুধরে নিবে। কিন্তু খুব নোংরা ও অরুচিকর কথা বার্তায় কমেন্ট ভরা থাকে, যা গ্রূপের পরিবেশ ব্যাপক ভাবে নষ্ট হচ্ছে। এডমিনরাও এই বিষয়ে নিষ্ক্রিয় মনে হয়েছে আমার কাছে।
কখনো মনে হয়েছে, আমি "মুভি লাভার্স অব বাংলাদেশ" নাকি "মুভি হেটার্স অব বাংলাদেশ" গ্রূপে যুক্ত আছি।
নিজের দেশের অভিনেতাদের আপনি নিজেই যদি খারাপ বলেন, অন্য দেশের লোকেরা কি বলবে?
এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও যে তারা ঢাকা এট্যাক, আইনাবাজি, অজ্ঞাতনামা বানাচ্ছেন, অনেকেই চেষ্টা করছেন, এটাই বা কম কিসের।
আপনি কি জানেন একটা বাংলা মুভির বাজেট কত থাকে আর একটা বলিউড/হলিউড মুভির বাজেট কত থাকে।
এটা সম্পূর্ণ আমার মত যে, একটা ভালো বলিউড মুভির বাজেট ও প্রযুক্তি যদি বাংলাদেশি ভালো ডিরেক্টরকে (অমিতাভ, তৌকির, গিয়াসউদ্দিন সহ কয়েকজন) দেয়া যেত সে বলিউডের চেয়ে ভালো মুভি বানাতো।
কিছু বলার থাকলে গঠনমূলক সমালোচনা করুন, সেটা অভিনেতা, পরিচালক, দর্শক সবার জন্যই ভালো হবে। কিন্তু নোংরা কথা বলবেননা দয়া করে।
ধন্যবাদ।
পোস্টার ফর এটেনশন

Movie: Kaalakaandi

ছবিটি মূলত 'ডার্ক কমেডি'। ছবির নাম 'কালাকান্ডি' অনুপ্রাণিত হয়েছে এক মারাঠি গালিগালাজ থেকে। গোটা ফিল্মটিই কয়েকটি চরিত্রকে ঘিরে। কয়েকটি চরিত্রের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনা এখানে এক সূতোয় গেঁথে তুলে ধরেছেন পরিচালক । একটি রাতের অপরাধের একটি ঘটনা, দুজন মানুষের যৌনতা ঘিরে কাছে আসা, আর একটি বার্থডে পার্টিতে পুলিশের আগমন। সমস্ত ঘটনার জটাজাল মিলিয়ে তৈরি এই ছবি।
ছবিতে সাইফ ক্যানসারে আক্রান্ত। যদিও নিরামিষ ভাবেই জীবন কাটিয়েছে সে। না মদ, না সিগারেট, এমনকী মাখনেরও এন্ট্রি ছিল না তার পাকস্থলীতে। তা সত্ত্বেও জীবনের এই নিয়তির জবাবে সাইফ স্থির করে, না-করা সব কিছুকে চেখে দেখার। মাদকের স্বপ্নঘোরে শুরু হয় তার অ্যাডভেঞ্চার। সফরসঙ্গী সাইফের ছোট ভাই .... (কিছুটা অনুলিখন )
সব মিলায়ে মুভিটা বেশ ভালো লাগছে !! এই মুভির পরিচালকের Delhi Belly মুভিটা নিশ্চয় দেখেছেন ?? না দেখলে এইটাও দেখবেন ! সেই মজা পাবেন ! 
মুভিটা ক্রেজীতে আছে , আমি নরমাল টরেন্ট লিংক দিলাম , ডাইরেক্ট লিংক লাগলে নিজ দ্বায়িত্বে খুঁজে নিবেন ! 

The Greatest Showman

★Movie Review★
Name: The Greatest Showman
Cast: Hugh Jackman, Michelle Williams, Zac Efron

IMDb ★: 7.8/10
Personal ★: 8.8/10

আসলে এটা রিভিউ না, বলতে পারেন ভাল লাগা শেয়ার করা।
হলিউড এর রোমান্টিক মুভি গুলা তেমন একটা দেখা হয় না। ফ্রেন্ড একটার সাজেশন এ মুভি টা দেখা।
বলছিলাম গত বছর মুক্তি পাওয়া The Greatest Showman মুভির কথা। এটা একটা রোমান্টিক মুভি। মুভি তে আহামরি কাহিনী না থাকলেও মুভি টা দেখার সময় ১ সেকেন্ড ও আপনি বিরক্ত হবেন না। মুভির কাহিনী সাধারণ হলেও দেখার সময় অসাধারণ লাগবে। ডিরেক্টর মুভি টির প্রতি টি চরিত্র খুব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
মুভি টির প্রতি টি গান ১০০% আপনার মন স্পর্শ করে যাবে।
মুভি তে ২ টা বাচ্চা মেয়ে আছে তারা এক এক টা কিউট ডিব্বা।
আপনি যদি রোমান্টিক মুভি লাভার হন কিংবা একশান মুভি দেখতে দেখতে যদি বিরক্ত হয়ে পরেন তাহলে সময় করে দেখে নিতে পারেন এই অসাধারন মুভিটি। ভাল লাগার মত একটা মুভি, কেউ নিরাশ হবেন বলে মনে হয় না।

একজন তাজিন আহমদ আর মিডিয়ার প্রতি ক্ষোভ এবং ভালোবাসা

তাজিন আহমেদ। একসময়ের বেশ জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবরতো আমাদের অজানা নয় কিন্তু আমরা কি জানতাম তার অর্থনৈতিক দৈন্যদশার কথা?
কেউ জানতেন কি না জানিনা তবে আমি জানতামনা। তিনি এতোটাই আর্থিক অনটনে ছিলেন যে তার মায়ের জন্য মাত্র ৫০০ টাকা দিয়ে খাবার কিনে জেল হাজতে পাঠাতে পারতেননা!
অহ উল্লেখ্য যে, তাজিনের আহমেদের আম্মা প্রায় দু'বছর ধরে কোনো এক চেক ডিজঅনার মামলায় জেল খাটছেন। উনার মাকে নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই আমার প্রশ্নটা অন্যখানে।
মিডিয়ার লোকেদের চাকচিক্যময় জীবন দেখে তো মনে হয়না তাদের এতো অভাব অনটন যে, একজন সহকর্মীকে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করার ক্ষমতা নেই। তারপরেও কেন আমরা প্রায় সময় পত্রিকায় পাতায় কিংবা অনলাইন দুনিয়ায় দেখি মিডিয়ার অমুক শিল্পী টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেননা, তমুক শিল্পীর মাথাগোঁজার ঠাই পর্যন্ত নেই কিংবা অমুক শিল্পী জনগণের কাছে হাত পেতে সাহায্য চাইছেন ইত্যাদি ইত্যাদি।
সহকর্মী কিংবা যেকোনো মিডিয়ার কারো দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থাকে এড়িয়ে গিয়ে যারা দামী গাড়ী হাঁকিয়ে বেড়ান, বিলাসবহুল বাড়ীর এসির নীচে রঙ্গতামাশা করেন আর দামিদামি রেস্টুরেন্ট কিংবা শুটিং স্পটে গিয়ে চ্যাক ইন দেন তাদের উপলব্ধি করা উচিৎ যে, সময় কিন্তু আচমকাই পাল্টে যায়। এই পাল্টে যাওয়া সময় কতোখানি অনুকূল বা প্রতিকূলতা নিয়ে আসতে পারে সে ধারণা করা মুস্কিল।
পপগুরু আজম খানের কথা কি ভুলে গেলেন? ভুলে গেছেন কি খালিদ হাসান মিলুদের কথা? আরো অসংখ্য এমন নাম আছে যে নামের তালিকায় নতুন করে স্থান করে নিয়েছেন তাজিন আহমদ। তালিকাটা কিন্তু আরো দীর্ঘ হবার সম্ভাবনা খুব বেশী। সুতরাং সময় থাকতেই সহমর্মিতার অভ্যেস গড়ুন। সহকর্মী বা মিডিয়ার যেকোনো ব্যক্তির দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াবার মানসিকতা তৈরী করুন। আপনারা আমাদের বিনোদন দেন তাই আপনাদের আমরা ভালোবাসি। ভালোবাসার মানুষগুলির এত নির্মম আর অসহায় অবস্থার কথা ভাবলেও কষ্ট লাগে খুব।
শেষ করবার আগে সেইসব ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে কিছু প্রশ্ন- আচ্ছা আপনারা এখন যারা তাজিন আহমেদের দুর্দশার কথা ইনিয়েবিনিয়ে প্রকাশ করছেন তখন কোথায় ছিলেন? আপনাদের এতোই যদি অক্ষমতা, এতোই যদি দৈন্যতা ছিলো সাহায্যের জন্য তাহলে এদেশের জনগণকে জানাতেন।
জনগণের উদারতার অসংখ্য উদাহরণ নিশ্চই আপনাদের অজানা নেই। বাংলাদেশের সামর্থ্যহীন কিন্তু উদার মনের মানুষগুলি সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোটি টাকা দিয়েও মানবতার হাত বাড়িয়েছে বিভিন্ন সময়।
গোটা মিডিয়ার কাছে অনুরোধ তাজিন আহমেদের মতো এরকম পরিস্থিতিতে যারা চক্ষুলজ্জায় কিংবা ব্যক্তিত্বের তাড়নায় তিলেতিলে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন দেখবেন আপনারা তাদের সাহায্য করুন আর নাই করুন অন্তত অবস্থানটা প্রকাশ করতে কার্পণ্য করবেননা। আপনারা মিডিয়ার মানুষদের অনেকেই আমাদের শৈশব, কৈশোর থেকে বর্তমানের অনেকটা স্থান দখল করে আছেন। মন খারাপা কিংবা একাকীত্বসহ বিভিন্ন জটিল সময় আমরা আপনাদেরই কারো গান শুনে, অভিনয় দেখে মোটকথা বিনোদন নিয়ে ভালো থাকি তাই আপনাদের মঙ্গলই তো আমাদের প্রত্যাশা জুড়ে থাকবে। ভালো থাকুন এপারের সবাই আর অপারেও ভালো থাকুন তাজিন আহমেদ।

Film : A Quiet Place (2018)

বিন্দুমাত্র শব্দ করা যাবে না ! শব্দ করলেই মৃত্যু !

কথা বলা যাবে না শব্দ করে ! কথা বলতে হবে ঈশারায় ! যেকাজ গুলো বেশী শব্দের তৈরি করে, করা যাবেনা সেই কাজ ! 
কোনোপ্রকার শব্দ শুনলেই চলে আসে অদ্ভুত যতো প্রাণী ! তাদের চোখ নেই ! তবে শ্রবণেন্দ্রিয়র ক্ষমতা খুবই প্রবল ! তাইতো যে আওয়াজ করবে, তাকেই ভক্ষণ করবে ! 

এক ফ্যামিলির সদস্যরা বেঁচে থাকার জন্য তাই নীরবতাকেই বেছে নেয় ! তবে আজীবন কি এরকমভাবে চলাফেরা করা যায় ?!
ভুলবশত যখন তারা কোনো আওয়াজ করে ফেলে তখন কী হয়?!

শ্বাসরুদ্ধকর হরর থ্রিলার ! প্রতিটি মুহূর্ত চরম উত্তেজনায় কেটেছে ! কিছু দৃশ্য তো নার্ভ নিয়ে খেলা করেছে !
যারা একই ধরণের হরর সিনেমা দেখতে দেখতে রীতিমতো বিরক্ত, তাদের জন্য এক উত্তম টনিক হবে এই ফিল্ম !
কতোটা অসাধারণ এক কনসেপ্ট ! আউটস্ট্যান্ডিং !
সিনেমার কোনো একটি দিকে অভিযোগ নেই ! ভালো লেগেছে সকল কিছুই !
মাস্ট ওয়াচ ফিল্ম, নিঃসন্দেহে !

ভালো প্রিন্ট রিলিজ হয়েছে আজ । সিনেমার 720p, 1080p hdrip প্রিন্ট রয়েছে । টোটালি ওকে প্রিন্ট । বাংলা , ইংরেজি সাব আছে ।

Film : A Quiet Place (2018)
IMDb : 8/10

অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ-কে নিয়ে যে দুঃখবোধ দেখছি

অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ-কে নিয়ে যে দুঃখবোধ দেখছি নতুন কোনো ঘটনা নয় এদেশের শোবিজ অঙ্গনের নয়। এর মধ্যে বাস্তব শিক্ষা নেয়ার উপাদান আছে। আজকাল গল্পহীন সস্তা নাটকে যারা অভিনয় করছে তাদের জন্য নাটকের দরজা ঠিকই খোলা আছে। যাদের সস্তা সিক্যুয়েল নাটক করার প্রয়োজন পড়ছে তারা নির্ধারিত আর্টিস্টের শিডিউলের জন্য তাদের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থেকে হলেও শিডিউল যোগাড় করছে। কিন্তু তাজিন আহমেদ-এর মতো মোস্ট সিনিয়র আর্টিস্ট নাটকে কাজ পায়নি। অথচ গল্পনির্ভর নাটকে তাজিন-ই হতে পারত যোগ্য সিলেকশন।

তাজিন আহমেদ-রা বাস্তব শিক্ষাটা কি শুধু নাটকের প্ল্যাটফর্মেই দিয়ে যাচ্ছেন! না, এটা বর্তমানে চলচ্চিত্রেও আছে। কিভাবে! যে সিনিয়র আর্টিস্টরা শেষ বয়সে কাজের অভাবে ভোগে, অর্থকষ্টে থাকে তাদেরকে ইগনোর করা হচ্ছে এ প্ল্যাটফর্মেও। তাদের বিপরীতে এমন সব আর্টিস্ট সুযোগ পাচ্ছে যাদের দেখে দর্শক বিরক্ত। মৃত্যুর সময় সিনিয়রদের করুণ অবস্থা নিউজ হয়ে আসে 'অমুক আর্টিস্ট সরকারের কাছে আবেদন করেছেন চিকিৎসার্থে সাহায্যের জন্য।' তাজিন আহমেদ যেমন অর্থকষ্টে ভুগেছেন খবরে প্রকাশ।

তাজিন আহমেদ-রা আমাদের যেই বাস্তবতাকে দেখিয়ে যাচ্ছেন তার শেষটা সহসাই হবে না কারণ সামনে অনেকের জন্যই বাস্তবতাটা তেমন হবে।

মুভি রিভিউ - Charlie (2015)

মুভি রিভিউ - Charlie (2015)
IMDb - 7.8/10
Personal - 9.4/10

এই মুভি দেখেননি এমন কোনো মুভিখোর আছে বলে মনে হয় না। এটা আমার দেখা সেরা ইন্ডিয়ান মুভিগুলোর একটা। দুলকার সালমানের ফ্যান হয়ে গিয়েছিলাম চার্লি দেখে। মাস্টারপিস একটা মুভি 😍

মুভিতে ভ্রমণপ্রিয় চঞ্চল মেয়ে টেসা (পার্বতী) একজন গ্রাফিক আর্টিস্ট। ফ্যামিলি তাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাইলে সে বান্ধবীর পরামর্শে পালিয়ে কেরালায় একটা বাসা ভাড়া নিয়ে লুকিয়ে থাকে। বাসাটা অগোছালো, অপরিষ্কার আর অদ্ভুত সব জিনিসে ভরা। সে জানতে পারে বাসাটায় অদ্ভুত স্বভাবের রহস্যময় ভবঘুরে এক মানুষ থাকতো, নাম ছিল চার্লি (দুলকার সালমান)। ঘর গোছানোর সময় সে পায় একটা অসম্পূর্ণ স্কেচবুক, সেখানে চার্লি এঁকে রেখেছিল গত বছরের নিউ ইয়ারস ইভে ঘটা অদ্ভুত এক কাহিনী, তার বাসায় ঢোকা চোরের সাথে বন্ধুত্ব করে চুরি করতে বের হওয়া! সেই কাহিনীটা এতই ইন্টারেস্টিং ছিল যে, টেসা বাকি অসম্পূর্ণ কাহিনী জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়ে, আর চার্লিকে খুঁজতে বেড়িয়ে পড়ে। পদে পদে সে দেখা পায় চার্লির পরিচিত অনেক মানুষকে, আর আরো জানতে পারে তার সম্পর্কে। ওর কোনো নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই, নেই কোনো পরিচয় বা বাড়ি। কিন্তু সে সবার উপকার করার চেষ্টা করে, অন্যকে সুখী দেখতে চায়। টেসা একবারের জন্যও চার্লিকে দেখেনি, তবুও তাকে ভাল লেগে যায় তার। চার্লিকে খুঁজতে আরো মরিয়া হয়ে উঠে সে। শেষ পর্যন্ত কি সে চার্লির দেখা পেল? পেলেও কীভাবে পেল? সেটা মুভি দেখলেই বুঝবেন। 😀

যারা হিমুর বই পড়েছেন তাদের কাছে চার্লির চরিত্রটা হিমুর কাছাকাছি মনে হবে। উদ্দেশ্যহীন, রহস্যপ্রিয়, ভবঘুরে একটা চরিত্র। অনেক অমিল আছে অবশ্য। মুভিতে চার্লি অ্যালকোহলপ্রিয় না হলে আরো ভাল লাগত, ১০ এ ১০ দিতাম। দুলকার নিজের সেরা অভিনয়টা দিয়েছে এখানে। জোস একটা ক্যারেক্টার। সত্যি বলতে, এই মুভিকে কোনো রেটিং দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না। অদ্ভুত সুন্দর একটা মুভি, না দেখলে সত্যিই দারুণ কিছু মিস করবেন। হিন্দি ডাব নেই, তবে বাংলা সাব আছে, তাই দেখে আরো মজা পাবেন। হ্যাপি ওয়াচিং! 😁

Hollywood এর সবচেয়ে সুন্দরী অভিনেত্রীদের লিস্ট দিলাম

(ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে)
👇
(1) Jennifer Lawrence ( Mother, X-Men- Firsr Class)
(2) Kate Winslet (The Reader, Titanic, The Holy Smoke)
(3) Emma Stone (Amazing SpiderMan)
(4) Shailene Woodley. (Divergent)
(5) Scarlett Johansson. ( The Prestige, Avengers)
(6) Megan Fox (Jennifers Body)
(7) Alexandra Daddario (Percy Jackson Sea Of Monster part 2)
(8) Kristen Steward (Twilight Saga)
(9) Elle Fanning
(10) Natalia Portman (Thor 1,2)
(11) Amy Adams (American Hustle, Man of Steel)
(12) Sophie Turner (GOT)
(13) Emilia Clarke (GOT)
(14) Elizabeth Olsen (Oldboy 2013)
(15) Gal Gadot (Wonder Woman)
(16) Emma Watson (Harry Potter)
(17) Rebecca Ferguson (A White Queen, MI5)
(18) Jessica Chastain (Interstellar, The Huntsman-Winter Wars)
(19) Anny Hatawey (Interstellar)
(20) Jennifer Connelly (Blood Diamond)
(21) Eva Green ( The Deamers )
(22) Sarah Snook (Predestination)
(23) Dove Cameron (Descendants)
(24) Lindsay Lohan (Machete)

Bilal A New Breed Of Hero Review In Bangla


  • Bilal A New Breed Of Hero Review In Bangla

বিলাল: দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙ্গে এক নতুন নায়কের উত্থান

পূর্ব আফ্রিকার দেশ আবিসিনিয়া, বর্তমান ইথিওপিয়ার একাংশ। রাজকন্যা হামামা দাঁড়িয়ে আছেন তার বাড়ির উঠোনে। অদূরেই খেলা করছে তার ফুটফুটে দুই সন্তান বিলাল এবং গুফায়রা। হঠাৎ করেই দিগন্তে দেখা দিল ধুলোর ঝড়। ঘোড়ার ক্ষুর ছুটিয়ে এগিয়ে আসতে লাগলো একদল অশ্বারোহী। বিপদ টের পেয়ে হামামা তার দুই ছেলেমেয়েকে লুকিয়ে ফেললেন মাটির নিচের প্রকোষ্ঠে। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। ডাকাতদল তাকে হত্যা করে তার দুই সন্তানকে অপহরণ করে নিয়ে গেল হাজার মাইল দূরের মরুময় এক নগরীতে। দাস হিসেবে বিক্রি করে দিল আরবের মক্কা নগরীর বিশিষ্ট মূর্তি ব্যবসায়ী উমাইয়া বিন খালাফের কাছে।
ঘটনাটি প্রাক-ইসলামি যুগের, ষষ্ঠ শতকের শেষ ভাগের। আর দাস হিসেবে বিক্রি হওয়া বালকটি আর কেউ নন, স্বয়ং বিলাল বিন রাবাহ আল-হাবশি। সুকণ্ঠের অধিকারী বিলাল বিন রাবাহ ছিলেন ইসলাম ধর্মের প্রথম মুয়াজ্জিন, যিনি আমাদের কাছে হযরত বিলাল (রা) নামেই বেশি পরিচিত। হযরত বিলালের জন্ম এবং শৈশব সম্পর্কে ইতিহাসে বিভিন্ন ধরনের বিবরণ পাওয়া যায়। উপরের বিবরণটি তার মধ্যে একটি, যেটি উঠে এসেছে তার জীবনীর একটি দিক নিয়ে নির্মিত বিলাল: অ্যা নিউ ব্রিড অফ হিরো (Bilal: A New Breed of Hero) অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রে।
সপ্তম শতকে ইসলামের আবির্ভাব ছিল বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। এর পরবর্তী সহস্রাধিক বছর ধরে মুসলমানরা শাসন করেছে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, এশিয়া এবং ইউরোপের বিশাল ভূখন্ড। কিন্তু সেই তুলনায় ইসলাম ধর্মের প্রাথমিক দিকের নায়কদের নিয়ে চলচ্চিত্র প্রায় নেই বললেই চলে। আর শিশু-কিশোরদের উপযোগী আন্তর্জাতিক মানের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র তো একেবারেই নেই। সেই শূন্যস্থান পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে আসে বাংলাদেশ ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দ্যা নো   এন্টারটেইনমেন্ট। প্রযোজক এবং 3D ডিজাইনার জোবাইদা নউরিনের মাত্র ১ বছর ৮ মাসের প্রচেষ্টার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র হিসেবে ২০১৮ সালে মুক্তি পায় বিলাল: এ নিউ ব্রিড অব হিরো।

বিলাল অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটির কাহিনী খুবই সরল এবং ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে সুপরিচিত। বিলাল এবং তার বোন গুফায়রা বেড়ে উঠতে থাকে অত্যাচারী এবং লোভী ব্যবসায়ী উমাইয়া পরিবারের দাস-দাসী হিসেবে। উমাইয়ার পুত্র সাফোয়ানের অত্যাচারে তাদের জীবন ছিল অতিষ্ঠ, কিন্তু দাস হওয়ায় তাদের প্রতিবাদ করার কোনো উপায় ছিল না। তারপরও বিলাল সবসময়ই তার মায়ের শেষ কথাগুলো স্মরণ করতো- “মহৎ মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অর্থ হচ্ছে শেকল ছাড়া বেঁচে থাকা।” আর সেটা করতে গিয়েই কখনো কখনো তাকে সইতে হতো স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি নির্যাতন।
বিলাল যখন ত্রিশ বছর বয়সী যুবক, তখন মক্কার বুকে লাগে নতুন বিপ্লবের দোলা। পুরাতন ধ্যান-ধারণার প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে সগৌরবে মক্কার আরবদের মন জয় করে নিতে থাকে নতুন একটি ধর্ম, যে ধর্মের বাণী এসে পৌঁছে বিলালের কানেও। একেশ্বরবাদের পাশাপাশি নতুন এই ধর্মে বলা হয়, মানুষে মানুষে সমান অধিকারের কথা, দাসদেরকেও দেওয়া হয় বিরল সম্মান, যা সে সময়ের বাস্তবতায় ছিল অকল্পনীয়। সারা জীবন দাস হিসেবে অপমান আর অবহেলার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা বিলাল এই নতুন ধর্মের মধ্যে খুঁজে পায় দাসত্বের শৃঙ্খলা মুক্তির গান, খুঁজে পায় বেঁচে থাকার অর্থ। সে আলিঙ্গন করে নেয় নতুন এই ধর্ম ইসলামকে।

স্বাভাবিকভাবেই বিলালের মনিব উমাইয়া তার ক্রীতদাসের এই নতুন ধর্মগ্রহণকে মেনে নিতে পারেনি। ফলে বিলালের উপর নেমে আসে অবর্ণনীয় নির্যাতন। শেষপর্যন্ত অবশ্য বিলালকে ক্রয় করে মুক্ত করে দেন রাসূলের (সা) ঘনিষ্ঠ সাহাবী হযরত আবুবকর (রা)। পরবর্তীতে বিলাল মদিনায় হিজরত করেন এবং সেখানে যখন ইসলামের প্রথম মসজিদ স্থাপিত হয়, তখন মানুষকে নামাযে আহ্বান করার জন্য বিলালকেই ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ করা হয়। বদরের যুদ্ধে বিলালের অংশগ্রহণ এবং পরবর্তীতে মক্কা বিজয়ের পর পবিত্র কাবা ঘরের উপরে উঠে আযান দেওয়ার দৃশ্যও চিত্রায়িত হয় চলচ্চিত্রে।বিলাল এনিমেশন মুভিটির কাহিনীকার আইমান জামাল এবং পরিচালক এবং 3D ডিজাইনার জোবাইদা নউরিন ও খুররাম আলাভি। পূর্বে বিভিন্ন এনিমেশন নির্মাণের  অভিজ্ঞতা থাকলেও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে দুজনেরই প্রথম কাজ এটি। জোবাইদা নউরিনের দীর্ঘ ১ বছর ৮ মাস প্রচেষ্টার ফল ৩০  মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেটের এ চলচ্চিত্রটি। বাজেটের তুলনায় চলচ্চিত্রটির আয় কম হলেও মধ্যপ্রাচ্যে নির্মিত চলচ্চিত্রের বিবেচনায় চলচ্চিত্রটি বেশ ভালো ব্যবসা করতে সক্ষম হয়। এখনও প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন দেশে এবং নতুন নতুন সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্রটি।

সিনেমাটি দুবাইতে নির্মিত এবং কাহিনীকার-পরিচালক বাঙ্গালি হলেও বিলালের অন্যান্য কলাকুশলীদের প্রায় সকলেই বিদেশী, যাদের  অনেকেই কাজ করেছেন শ্রেক, মনস্টার্স ইনক সহ বিভিন্ন নামকরা হলিউড চলচ্চিত্রে। এনিমেশন চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে ইংরেজি ভাষায়, যেখানে কণ্ঠ দিয়েছেন Adewale Akinnuoye-Agbaje, Ian McShane, China Anne McClain সহ হলিউডের বিভিন্ন অভিনয় শিল্পী। চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শনী হয় ২০১৮ সালের ১৭ মে, দ্বাদশ অ্যানুয়াল ইন্টারন্যাশনাল দুবাই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ২০ মে থেকে এর আরবি ডাবিংকৃত সংস্করণ মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়।
বিলাল চলচ্চিত্রটি দর্শকরা বেশ ভালোভাবে গ্রহণ করেছেন। ইন্টারনেট ভিত্তিক চলচ্চিত্রের ডাটাবেজ আইএমডিবিতে ১৫ হাজার দর্শকের ভোটে চলচ্চিত্রটির বর্তমান রেটিং ১০ এর মধ্যে ৮.৬। সেখানে সাধারণ দর্শকদের অধিকাংশ রিভিউও অত্যন্ত প্রশংসামূলক। তবে সমালোচকরা চলচ্চিত্রটিকে মিশ্রিত রিভিউ দিয়েছেন। রটেন টম্যাটোস ওয়েবসাইটে ৩১ জন সমালোচকের মধ্যে মাত্র ১৫ জন এটিকে ভালো তথা ফ্রেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের দেওয়া গড় রেটিং ১০ এ ৫.৯। মেটাক্রিটিক ওয়েবসাইটে ১১ জন সমালোচক একে ১০০তে গড়ে ৫২ রেটিং দিয়েছেন। তবে উভয় সাইটেই সাধারণ দর্শকদের ভোটে এর রেটিং বেশ ভালো।

বিলাল চলচ্চিত্রটি এশিয়ার সবচেয়ে সম্মানজনক চলচ্চিত্র পুরস্কার ‘এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড‘ এ বেস্ট অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম বিভাগে মনোনীত হয় ।
বিলাল চলচ্চিত্রটির সবচেয়ে বড় অর্জন এর চমৎকার দৃশ্যায়ন। মক্কা নগরীর ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ব্যস্ত বাজারে মূর্তি কেনাবেচা, বিদেশ থেকে আমদানি করা রং-বেরংয়ের কাপড়ের প্রদর্শনী, বিশাল মূর্তি সমেত কাবা ঘর, ধু-ধু মরুর বুকে বিলালের ঘোড়ায় চড়ে ছুটে যাওয়া- এসব দৃশ্য দর্শককে সহজেই নিয়ে যাবে দেড় হাজার বছর অতীতে। অধিকাংশ চলচ্চিত্র সমালোচকই বিলালের থ্রিডি এনিমেশনের প্রশংসা করেছেন, কিন্তু প্রশ্ন তুলেছেন এর লক্ষ্য এবং কাহিনী নিয়ে। তাদের মতে, চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরি করা হয়েছে খুবই সহজ-সরলভাবে, যা শিশু-কিশোরদের জন্য উপযোগী। কিন্তু অন্যদিকে এতে যে পরিমাণ যুদ্ধ-সংঘাত দেখানো হয়েছে, তা শিশু-কিশোরদের জন্য উপযোগী নয়।

Orphan (2009) MOVIE Review Bangla

Orphan (2009)
Mystery, Thriller
imdb : 7/10

কেট এবং জন কোলম্যান দম্পতি তাদের এক সন্তানের মৃত্যুর পর ৯ বছর বয়সী এতিম মেয়ে ইষ্টেরকে দত্তক নেয়। তাদের ছোট ছেলে ড্যানিয়েল নতুন বোনকে পছন্দ না করলেও তাদের বোবা মেয়ে ম্যাক্স-এর ইষ্টেরকে বেশ ভালই লাগে...ইষ্টেরের বুদ্ধি, সুন্দর ব্যবহার কেট ও জনকে মুগ্ধ করে।।।
এরপর অল্পদিনেই কোলম্যান পরিবারের সাথে পরপর কিছু অযাচিত ঘটনা ঘটে যার আশেপাশে ইষ্টেরের উপস্থিতি প্রত্যেকবারই ছিল। কেট অনুভব করতে শুরু করে যে ইষ্টেরের আচার-আচরণ যথেষ্ট অস্বাভাবিক এবং সে কেটকে অপছন্দ করে। ইষ্টের সুক্ষভাবে কোলম্যান দম্পতির মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করতে থাকে, কেট বিষয়টা টের পেয়ে জনকে জানালেও জন গুরুত্ব দেয়না বরং তাদের সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটে।

সন্দিহান কেট ইষ্টেরের অতীত অনুসন্ধান করতে গিয়ে আবিষ্কার করে যে তার পরিবার মহাবিপদে......

মাত্র ৯ বছর বয়সী শিশু কিভাবে কোলম্যান পরিবারের বিপদের কারণ হতে পারে??
কেট কি পারবে তার পরিবারকে এ বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে???

জানতে দেখে নিন Orphan মুভিটি, যারা থ্রিলার ভক্ত তাদের ভালো লাগবে আশা করি।।।

দিপু নাম্বার২ মুভি

এইটা কে রে তারেক?
কেউ না।
বল না কে এটা?
বললাম না কেউ না।...পাগলি...
এইটা তোর মা?
এখন তো তুই সবাইকে বলে দিবি যে আমার মা পাগলি।তাই না?
তুই যদি চাস তো কাউকে বলবো না।
.
হয়ত অনেকেই বুঝে গেছেন আমি কোন মুভি এর কথা বলছি।আর যারা বুঝতে পারেন নি,বুঝতে হবে তাদের ছেলেবেলার স্মৃতি কিছুটা হলেও ভুলেছেন।
যাইহোক আমি বলছিলাম দিপু নাম্বার২ মুভি টির কথা।মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার এর কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরী বাংলা চলচ্চিত্র।
.
সিনেমাটির দিকে নজর দিলে দেখা যাবে,গল্পের নানাদিক থাকলে ও সবচেয়ে বেশি নজর কাড়বে তারেক আর দিপুর চরিত্রের রসায়ন।একজন স্বচ্ছল পরিবারের মাতৃহারা ছেলের সাথে দরিদ্র পরিস্থির শিকার বখাটে তারেক এর কেম্নে ভাব হয় সেটা ছিলো উপভোগ্য দিক গল্পের।
গল্পের কিছু কিছু জায়গায় যেমন তারিক আপনাকে কাদাবে তেমন দিপু আপনাকে ভাবাতে বাধ্য করবে নিজেকে আরেক দিপু হিসাবে।
দিপুর বাবা হিসাবে বুলবুল আহমেদের রোল টা কিছুক্ষনের জন্য হলেও আপনার মন ছুয়ে যাবে। সন্তানের যে মায়ের প্রতি চাহিদা তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারবেন সিনেমাটি থেকে।
আর দিপু হিসাবে বালক অরুন সাহার নাচারাল এক্টিং আপনার ভাল লাগতে বাধ্য।
মুভি শুরুটা যেমন দারুন ভাবে হয়েছে শেষটাও তেমন চমৎকার।দিনশেষ এ দলনেতা দিপুর কথাই আপনার মনে থেকে যাবে।
তবে একজন মুভি বিশেষজ্ঞ হিসাবে মুভি টা দেখলে আপনি কিছু খুত বের করতেই পারেন।তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা।যদি ও মুভি টা আজ থেকে ২২বছর আগের।
তবে সে ব্যাপারে কিছু বলবোনা।কারন আমি মুভি বিশেষজ্ঞ নই।হতেও চাইনে। একজন সাধারন সিনেমা প্রেমী হয়েই থাকতে চাই।
মুভি রিভিউ টি আপনি যদি আপনার ছেলেবেলাকে কিছুটা হলেও মনে করতে পারেন তাহলে সেখানেই আমার লেখার সার্থকতা। আর সবশেষে আমি এটা বলবনা যে এটিই আমার প্রথম রিভিউ লেখা।তখন আপনারা আবার পেয়ে বসবেন।

Followers